০১। প্রকৃত অভিভাবক দৈনিক পাঠ ডাইরীতে নিজের পরিচিতি ও নমুনা স্বাক্ষর দেবেন। পিতা-মাতা জীবিত/উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও দেখা যায় গৃহ শিক্ষক, চাচা, মামা, বড় ভাই-এদেরকে অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়। পিতা-মাতাই ছাত্রের প্রকৃত অভিভাবক/অভিভাবিকা।
01
০২। প্রতিদিন আপনার সন্তান বিদ্যালয় থেকে বাসায় ফেরার পর সেদিন শ্রেণিতে শিক্ষক কোন পিরিয়ডে কি বিষয় পড়িয়েছেন তা দেখে ছেলের উপস্থিত ও পাঠসমূহ সম্বন্ধে নিশ্চিত হউন এবং ঐ দিনের কার্যক্রম বিবরণী পৃষ্ঠার নিচে আপনার জন্য সংরক্ষিত স্থানে মন্তব্যসহ স্বাক্ষর করুন।
02
০৩। আপনার সন্তান ঠিক সময়ে স্কুল ড্রেস পরে স্কুলে আসে কিনা এবং ছুটির পরে বাসায় ঠিক সময়ে ফেরে কিনা এবং বাসায় কতক্ষণ নিয়মিত লেখাপড়া করে তা লক্ষ্য রাখুন।
03
০৪। বিদ্যালয়ের সকল পরীক্ষাগুলোতে আপনার সন্তান নিয়মিত উপস্থিত থাকছে কিনা সে দিকে খেয়াল রাখুন এবং ফলাফল জানতে চেষ্টা ও স্বাক্ষর করুন। মোট কার্যদিনের ৯৫% উপস্থিতির যৌক্তিক কারণ দর্শনো ছাড়া কোন ছাত্রকে পরীক্ষা দেওয়ার অনুমতি দেয়া যাবে না।
04
০৬। “দৈনিক পাঠ ডাইরী” ও “ছাত্রদের আচরণ বিধি” অভিভাবক অবশ্যই পাঠ করবেন এবং সে অনুসারে তাকে চলতে নির্দেশ ও সাহায্য করবেন।
05
০৭। ছাত্রের লেখাপড়া ও চারিত্রিক উন্নতি সম্পর্কে জানার জন্য প্রকৃত অভিভাবক অবশ্যই মাঝে মাঝে প্রধান শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করবেন।
06
০৮। ছাত্র সম্পর্কে যে কোন বিষয়ে আলোচনার জন্য পত্র পাওয়ার পর নির্ধারিত দিনে ও সময়ে অভিভাবক শ্রেণি শিক্ষক এবং প্রধান শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করবেন।
07
০৯। আপনার সন্তান স্কুলে অনুপস্থিতির তারিখ ও কারণ উল্লেখ করে আপনাকেই দরখাস্ত করতে হবে। মনে রাখবেন পর পর তিন দিন বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত থাকলে দরখাস্তসহ নিজে উপস্থিত হতে হবে।
08
১০। কোন ছাত্র অসুস্থতার কারণে স্কুলে আসতে না পারলে অতি সত্ত্বর অভিভাবক নিজে আবেদন পত্র ডাক্তারী সার্টিফিকেটসহ শ্রেণি শিক্ষকের কাছে জমা দিবেন।
09
১১। কোন ছাত্র পরীক্ষায় ফেল করলে অন্য শ্রেণিতে তার ‘প্রমোশনের’ ব্যাপারে কোন প্রকার তদবির করা চলবে না।
10
১২। যে সব অভিভাবক নিজে সন্তানদের স্কুল আনা-নেওয়া করেন, তারা তাদের সন্তানদের ঠিক সময়ে স্কুলের গেইটে পৌঁছে দেবেন এবং ছুটির পরে ঠিক সময়ে নিয়ে যাবেন, বিদ্যালয় আঙিনায় অবস্থান করবেন না। এতে পরিবেশের ভারসাম্য ও ছাত্রের মনোযোগ নষ্ট হয়।
11
১৩। আপনার সন্তানের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যের দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখুন, খারাপ পরিবেশ ও অসদ-সঙ্গ থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করুন।
12
১৪। মনে রাখতে হবে অভিভাবক ও শিক্ষক/শিক্ষিকার সম্মিলিত প্রয়াসের ফলে শিক্ষার্থীর পাঠোন্নতি ও সুন্দর চরিত্র গঠন সম্ভব।
13
১৫। শিক্ষক শিক্ষার্থীর মানস-পিতা এ কথা স্মরণ রেখে স্বীয় সন্তানের পাঠোন্নতি ও চরিত্র গঠনের ব্যপারে শিক্ষকদের স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতা প্রদান অব্যাহত রাখবেন-এটাই একান্ত কাম্য।
14
১৬। সরকারী বিধিমালা অনুযায়ী স্কুল পরিচালিত হয়। এতে আপনাদের সহযোগিতা একান্তভাবে কাম্য।
15
১৭। অর্ধ বার্ষিক পরীক্ষার পর নির্ধারিত অভিভাবক দিবসে শ্রেণিকক্ষে আপনার সন্তানের উত্তরপত্র দেখতে পারবেন এবং প্রয়োজনে শিক্ষকগণের সাথে মতবিনিময় করতে পারবেন। শৃঙ্খলা ও রেকর্ড যথাযথ সংরক্ষণের স্বার্থে উত্তরপত্র বাড়ীতে দেওয়া হবে না। কেননা ইতিপূর্বে দেখা গেছে অন
16